সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :
না চাইতেই ঈদগাঁওবাসীকে অনেক কিছু দিয়েছেন দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান বলেছেন, ঈদগাঁও উপজেলাবাসীকে না চাইতেই অনেক কিছু দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা। সরকার প্রধানের আন্তরিকতায় স্বল্প সময়ে ঈদগাঁও থানা, পরবর্তীতে উপজেলা পেয়েছে ঈদগাঁওবাসী। মঙ্গলবার (২৭ জুন) নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলার প্রশাসনিক ভবনের স্থান পরিদর্শনে গিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বক্তব্যে বলেছিলেন, কক্সবাজারের নুন খাই, তাই কক্সবাজরের গুণ গাই।সফল রাষ্ট্রনায়ক জননেত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারে আধুনিক রেল লাইন, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, মাতারবাড়ীতে গভীর সমুদ্রবন্দর, মহশেখালীতে কয়লা বিদ্যুৎ নির্মাণ, ঈদগাঁওকে উপজেলা, রামুতে ক্যান্টনমেন্ট নির্মাণসহ অসংখ্য উন্নয়ন কাজ সমাপ্ত করে এখন উদ্বোধনের অপেক্ষায়। কক্সবাজারকে তিনি বদলে দিয়েছেন, একটি বিশ্বমানের পর্যটন শহরকে গড়ে তুলতে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকারকে আবারো প্রয়োজন উল্লেখ করে আগামী দিনের সবগুলো নির্বাচনে নৌকার পক্ষে ভোট চান মেয়র মুজিব।
ঈদগাঁও উপজেলার প্রশাসনিক ভবন পরিদর্শন শেষে ঈদগাঁও পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচনের কঠিন বৈতরণি পার করতে হলে সংগঠনকে শক্তিশালী করে গড়ে তুলতে হবে। সকল ভেদাভেদ মান অভিমান ভুলে নেতাদের ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে প্রতিটি ঘরে ঘরে প্রধানমন্ত্রীর সালাম ও উন্নয়নের কথা তুলে ধরতে হবে। ঈদুল আযহা পরবর্তী সাংগঠনিক কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নির্দেশনা প্রদান করেন জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। সংগঠনের সভাপতি আবু তালেবের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রেজাউল করিম, ঈদগাঁও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইমরুল রাশেদ, প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা মাস্টার নুরুল আজিম, আওয়ামী লীগ নেতা আহমদ করিম সিকদার, সদর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজীবুল হক রিকু, ছাত্রলীগ নেতা আবু হেনা বিশাদ প্রমুখ।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেলে ঈদগাঁও স্টেশনে পৌঁছলে ঢোল, বাজনা বাদ্যের তালে তালে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, মৎস্যজীবিলীগ, আওয়ামী প্রবাসী প্রত্যাগত লীগ সহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মীরা আনন্দ উল্লাসে মিছিল করে মুজিবুর রহমানকে নবগঠিত ঈদগাঁও উপজেলার প্রশাসনিক ভবনে নিয়ে যান। নবীন প্রবীণের মিলন মেলায় পরিণত হয় সমগ্র ঈদগাঁও’র জনপদ।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা হুমায়ুন কবির হিমু, জসিম উদ্দিন চেয়ারম্যান, মোহাম্মদ মহীদুল্লাহ, আহসান সুমন, দিদারুল আলম কোম্পানি, এবি ছিদ্দিক খোকন, ডা.আবদুস কুদ্দুস মাখন, লুৎফুর রহমান আজাদ, সোহেল জাহান চৌধুরী, সেলিম বাবুল, মুজিবুর রহমান, আবদুর রাজ্জাক, অধ্যাপক মোঃ আলী, ছৈয়দ আলী, মমতাজুল ইসলাম খান, বিকাশ কান্তি দে, সুমন কান্তি দে, ইসলামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মনজুর আলম দাদা, সাধারণ সম্পাদক শাহজান চৌধুরী, পোকখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হেলাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদুল ইসলাম, জালালাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সেলিম মোর্শেদ ফরাজী, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, ঈদগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি তারেক আজিজ, সাধারণ সম্পাদক রাশেদ উদ্দিন রাশেল, ইসলামাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, উপজেলা কৃষকলীগ সভাপতি আবছার কামাল, মৎস্যজীবী লীগের আহ্বায়ক নুরুল আজিম সোনামিয়া, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম কাজল ছাত্রলীগ নেতা ইরফানুল করিম, সোহেল মোঃ রোহান, আবদুল্লাহ, আবদুর রহমান নাহিদ, ছাত্রলীগ নেতা আরিফ আহমেদ সহ অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময় সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগ নেতা নুরশাদ মাহমুদ।