সংবাদ বিজ্ঞপ্তি :

কক্সবাজার পৌর এলাকার ময়লা-আবর্জনা সংগ্রহে এবার নতুন সংযোজন হয়েছে বিশেষ ভ্যান। এসব ভ্যান মূলত: সরু রাস্তাগুলোতেও সহজভাবে ময়লা সংগ্রহ করতে পারবে। যেখানে ট্রাক ঢুকতে পারেনা।
এ লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্প হিসেবে ৭ ও ৮ নং ওয়ার্ডে ৪টি ভ্যান গাড়ি বিতরণ করেছে দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র (ডিএসকে)।
মঙ্গলবার দুপুরে দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের আরবান ওয়াশ প্রকল্পের মাধ্যমে ভ্যানগুলো বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে শহরের গোলদিঘী ও কচ্ছপিয়া পুকুর পাড় এলাকায় পৃথক বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কক্সবাজার পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একেএম তারিকুল আলম।

তিনি বলেন, ‘পাহাড় কাটার কারণে মাটি রাস্তায় চলে আসে। এছাড়া অনেকেই নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলার কারণে রাস্তাঘাটে ময়লা আবর্জনা জমে থাকে। দেখা যায়, অনেকেই বাড়ির সামনে রাস্তায় ডাস্টবিন রাখতে দেয় না। পৌরসভা থেকে দৈনিক একবার ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয়। দিনের বাকি সময় যদি লোকজন যত্রতত্র ময়লা ফেললেও পৌরসভাকে দায়ী করে। অথচ, পৌরসভাকে সবসময় পরিচ্ছন্ন ও পরিপাটি রাখতে মেয়র মুজিবুর রহমান যথেষ্ট আন্তরিক।

তিনি আরও বলেন, ‘ময়লা-আবর্জনাকে আমরা ৩ ভাগে ভাগ করেছি। পঁচনশীল, প্লাস্টিক বর্জ্য ও কঠিন পদার্থ। পৌরসভাবাসী যদি একটু সচেতন হয় এবং ৩ প্রকারের বর্জ্যকে আলাদা করে তবে এগুলো আমাদের রিসাইকেল বা পুর্নব্যবহারের জন্য নতুনভাবে পণ্য তৈরী করা সম্ভব হবে। তাই পৌরসভাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। সেই সাথে পরিচ্ছন্নতার জন্য দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্র বর্জ্য সংগ্রহের জন্য ভ্যান বিতরণ করে এগিয়ে আসায় তাদের ধন্যবাদ জানাই।’

এসময় দুঃস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের আরবান ওয়াশ প্রকল্পের ব্যবস্থাপক শরীফ উল্লাহ ভূইয়া, মনিটরিং কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, পৌরসভার প্যানেল মেয়র-২ হেলাল উদ্দিন কবির, কাউন্সিলর রাজবিহারী দাশ, কাউন্সিলর আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামশেদ, ডিএসকে এর প্রজেক্ট ইঞ্জিনিয়ার এস এম তারিকুল ইসলাম, সহকারী ইঞ্জিনিয়ার ফজলুল করিম ও সমাজসেবক পরিমল কান্তি দাশসহ অনেকেই বক্তব্য রাখেন।