এম.এ আজিজ রাসেল:
কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন চেয়ারম্যান কমোডর অব. মোহাম্মদ নুরুল আবছার বলেছেন, ‘দেশে জেলা ভিত্তিক অন্য কোথাও উন্নয়ন কতৃর্পক্ষ নেই। প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারকে খুবই ভালবাসেন। তাই তিনি এখানে উন্নয়ন কতৃর্পক্ষ করেছেন। ভূ—রাজনৈতিক কারণে কক্সবাজার খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অচিরেই এটি হবে বাংলাদেশের গেটওয়ে ও আইকনিক সিটি।’

মঙ্গলবার (০৬ সেপেটম্বর) বিকালে কক্সবাজার প্রেস ক্লাবে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘স্বপ্নের কক্সবাজার তৈরিই আমার মূল উদ্দেশ্য। কক্সবাজারের পরিবেশ সমুন্নত রেখেই পর্যটন বিকাশে কাজ করা হবে। মৃত্যুর আগে কক্সবাজারের জন্যে কিছু করতে চান বলে জানিয়েছেন কউক চেয়ারম্যান।’ তিনি বলেন, ‘সবার পরামর্শ ভবিষ্যতে গাইডলাইন হিসেবে নিয়ে কাজ করা হবে। চলার পথে আমার কোন ভুল হলে সরাসরি অফিসে এসে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।’

কক্সবাজার প্রেস ক্লাব ও কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আবু তাহের এঁর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন বিএফইউজে সদস্য এডভোকেট আয়াছুর রহমান, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সহ—সভাপতি মমতাজ উদ্দিন বাহারী, কক্সবাজার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. মুজিবুল ইসলাম, সাংবাদিক ইউনিয়ন কক্সবাজারের সভাপতি জিএম আশেক উল্লাহ ও বিএফউজে সদস্য প্রথম আলোর কক্সবাজার অফিস প্রধান আবদুল কুদ্দুস রানা।

সভা সঞ্চালনা করেন কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহেদ সরওয়ার সোহেল।

বক্তব্যে সাংবাদিকেরা বলেন, ‘কক্সবাজারে ব্যাপক উন্নয়ন যজ্ঞ বাস্তবায়ন হচ্ছে। কিন্তু সমস্যাও রয়েছে। এসব সমস্যা চিহ্নিত করতে হবে। এখানে নির্বিচারে পাহাড় কাটার ফলে পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে। রয়েছে পানি সংকট। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে নদী ও সাগরে বর্জ্য যাচ্ছে। এতে পানির তলদেশে বসবাস করা প্রাণীরা রয়েছে অস্থিত্ব সংকটে। পাশাপাশি কক্সবাজারের জমির প্রতি সবার লুলোপ দৃষ্টি। রাতারাতি এখানে জমি দখল হয়ে যায়। সমুদ্র সৈকত ঘিরে এই দখলবাজি বেশি চলে। যার ফলে সমুদ্রের ভাঙন তীব্র হচ্ছে। জিও ব্যাগ দিয়ে ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না। সমন্বয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তরান্বিত করতে হবে।’