শাহেদুল ইসলাম মনির, কুতুবদিয়া প্রতিনিধি:

সমুদ্র কার না ভাল লাগে, সবার কাছেই গভীর আবেগের এক জায়গা। বলছি কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় প্রায় ২২ কিলোমিটার লম্বা বিশাল সমুদ্র সৈকতের কথা। ঈদের দ্বিতীয় দিনে
সৈকত জুড়ে হাজারো পর্যটক ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে এ দ্বীপের সৈকত।

বুধবার (৪ মে ) দ্বীপের সৈকতে বিভিন্ন পয়েন্ট ঘুরে দেখা যায়, হাজারো পর্যটকের পদচারণায় মুখর সৈকত। ছবিতোলা, বালিয়াড়িতে হৈ-হুল্লোড়, আড্ডা, পরিবার নিয়ে সৈকত উপভোগে ব্যস্ত পর্যটকরা।

৫নং বড়ঘোপ ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কালাম বলেন, ঈদের পর থেকেই মূলত দর্শনীয় স্থান বায়ুবিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাতি ঘর, সিটিজেন পার্ক, কুতুব আউলিয়া দরবার, ঐতিহ্যবাহী দুই মসজিদ ফকিরা মসজিদ ও কালামার মসজিদ পর্যটকদের পদভারে দিন রাত মুখরিত হয়ে উঠেছে। সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে প্রায় ২২ কিলোমিটারে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়।

মহিউদ্দিন চট্টগ্রাম থেকে আসা পর্যটক জানান, আমরা পরিবারের সকলে এবার ঈদের ছুটিতে ঘুরতে এসেছি এ দ্বীপে । আসলে স্থানটি মনোমুগ্ধকর। এখানে দীর্ঘ সি-বিচ, বিশাল সমুদ্র। বায়ু বিদ্যুৎ কেন্দ্র, বাতি ঘর, ঝাউবাগান ঘুরলাম। বেশ ভালই লাগছে। এখানে না আসলে বোঝাই যায় না প্রকৃতির লীলা।”

ঢাকা থেকে বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে আসা পর্যটক হামিদুর রহমান বলেন, “আমরা চার বন্ধু মিলে ঈদের ছুটিতে প্রথমবারের মত কুতুবদিয়া দ্বীপে ঘুরতে এলাম। অনেক মজা করছি। সাগরের বিশালতা দেখে মুগ্ধ আমরা। অনে জায়গায় ঘুরছি। দীর্ঘ সৈকতে সময় কাটাচ্ছি; এ এক অন্য রকম অভিজ্ঞতা।”

কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ ওমর হায়দার বলেন,পর্যটকদের সার্বিক নিরাপত্তায় বিভিন্ন স্পটে পোশাকে পুলিশের পাশাপাশি সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পর্যটকরা নির্বিঘ্নে ভ্রমণ করতে পারবেন।