এম.মনছুর আলম, চকরিয়া :

কক্সবাজারের চকরিয়ায় জুয়ার আসরে পুলিশের ধাওয়ায় মাতামুহুরী নদীতে ঝাঁপ দিয়ে নিখোঁজ হওয়া শফি আলম (২৫) নামে যুবকের মরদেহ ৩০ ঘন্টা পর নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (২৮ আগস্ট) সকাল ৬টার দিকে উপজেলার বিএমচর ইউনিয়নের কন্যারকুম নামক এলাকা থেকে নিখোঁজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গত শুক্রবার দিবাগত রাত দেডটার দিকে কৈয়ারবিল ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডস্থ নতুন খালের মুখ নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নদী থেকে উদ্ধার হওয়া নিখোঁজ যুবক শফি আলম ওই এলাকার আবদুস সোবাহানের ছেলে।
খবর পেয়ে মাতামুহুরী পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের পুলিশের একটি টিম নিখোঁজ যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেন। মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মো: মিজানুর রহমান।
মাতামুহুরী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের (পুলিশ পরিদর্শক) মো. মিজানুর রহমান জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে স্থানীয় লোকজনের কাছ থেকে খবর পেয়ে মাতামুহুরী নদীর তীরে জুয়াড়ির ঘটনাস্থলে অভিযানে যাওয়া হয়। এসময় ৭-৮জন জুয়াড়ি পুলিশের উপস্থিতি টের পয়ে জুয়াড়িরা পালিয়ে যায়। তাদের মধ্যে ৩জন মাতামুহুরী নদীতে ঝাঁপ দেয়। দুইজন সাঁতরিয়ে কূলে উঠতে পারলেও শফি আলম নামে এক যুবক নদীর কুলে উঠতে পারেনি এবং সে নদীতে নিখোঁজ হয়।

তিনি আরও বলেন, নদীতে নিখোঁজ হওয়া যুবককে উদ্ধারে স্থানীয় লোকজন ও চকরিয়া ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা মাতামুহুরী নদীতে উদ্ধার তৎপরতা চালালেও তার খোঁজ মেলেনি। রবিবার সকালে নিখোঁজ যুবকের মরদেহ মাতামুহুরী নদীর কন্যারকুম এলাকা থেকে তার ভাসমান অবস্থায় লাশ উদ্ধার করা হয়। ওইসময় লাশের গলায় প্যাঁচানে একটি রশি পাওয়া গেছে। এবং তার শরীরে ক্ষত চিহ্ন দেখা যায়। নিহত মরদেহের সুরুতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।